মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব সংবাদদাতা :বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগানে নিয়ে র্যাব যুব সমাজ তথা বাংলাদেশকে মাদকের ভয়াল থাবা, সন্ত্রাস, জঙ্গী, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অসাধু অস্ত্র ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কর্মকান্ড থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে শিশু-ধর্ষণের সাথে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বস্তরের জনগনের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে র্যাব।
স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, ভিকটিম আরমান আলী ও আসামীগণ পরস্পর আত্মীয়- স্বজন ও ভাগিশরিক। আনুমান ২০১২ সালের দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আসামী মোঃ রুমান এর বড় ভাই আলমগীর হোসেন (২৭) খুন হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। উভয় পক্ষের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে মরাকুড়ি বাজারে দরবার বসে ও একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১০ জুন, ২০১৪ খ্রি. তারিখ দুপুর অনুমান ১৪.০০ ঘটিকার সময় আসামী রুমান ও তার লোকজন ভিকটিম আরমান আলী (২৮) কে মসজিদ মার্কেটের সামনে একা পেয়ে পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। আশেপাশের লোকজন ভিকটিম আরমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরবর্তীতে, ভিকটিম আরমান (২৮) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই তারিখ অনুমান রাত ২২.৩০ ঘটিকার সময় মারা যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ভিকটিমের স্ত্রী মোছাঃ পপি আক্তার (২৪) বাদী হয়ে আসামী রুমান’সহ আরো ১১ জনের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামী মোঃ রুমান (২১) গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায়, আলোচিত এই ঘটনার প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৮/০৪/২০২৩ খ্রি. তারিখ রাত অনুমান ০০.৩০ ঘটিকার সময় ময়মনসিংহ সদরের বাড়েরা মসজিদ মার্কেট থেকে আসামী মোঃ রুমান(২১), পিতা- মোঃ সাইফুল ইসলাম ড্রাইভার, গ্রাম- মধ্য বাড়েরা, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ’কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বর্ণিত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। এছাড়াও উপরোক্ত ঘটনার মতো যাতে আর কোন ঘটনা না ঘটে, সেই প্রেক্ষিতে র্যাবের টহল তৎপরতা ও গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত থাকবে।